ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শনিবার ভোরে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে ঘুমন্ত অবস্থায় তারা মারা যান বলে জানিয়েছেন পূর্ব নুসা তেনগারা প্রদেশের গভর্নর এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা।
ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থাপনা এবং আফটারশকের কারণে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল কাজ শুরু করেছে। ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হলেও প্রায় তিন ঘণ্টা পর সেটি তুলে নেওয়া হয়।
স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টার কিছু আগে ফ্লোরেস দ্বীপে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে।
প্রধান ভূমিকম্পের পর ওই অঞ্চলে একাধিক শক্তিশালী আফটারশক আঘাত হানে। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১।
মাউমেরে বন্দরের একটি ভিডিওতে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা যায়। এতে টার্মিনাল ভবনের বড় কংক্রিটের অংশ ভেঙে যাত্রীদের ওপর পড়তে দেখা যায়। ফেরিতে ওঠার সিঁড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কয়েকজন যাত্রী পানিতে পড়ে যান।
সুনামির সতর্কতা জারির পর উপকূলীয় এলাকা থেকে অনেক মানুষকে মোটরসাইকেলে করে নিরাপদ স্থানের দিকে সরে যেতে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।