এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের রেকর্ড গড়েছে। চলতি বছর এই বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। তবে দীর্ঘ ১৫ বছরের তুলনায় এই পরিসংখ্যান সর্বনিম্ন হলেও, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক তালিকায় চট্টগ্রাম বোর্ড রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। আর কেবল ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের হিসাব করলে পাসের হারে চট্টগ্রাম বোর্ড দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। এবার এই বোর্ড থেকে মোট ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।
শনিবার ৩১ অক্টোবর সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কথা থাকলেও, কিছু পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
দেশের অন্যান্য বোর্ডের ফলাফলের চিত্র অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এছাড়া মাদরাসা বোর্ডে ৬১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ পাসের হার লক্ষ্য করা গেছে। সারাদেশে এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এদিকে এ বছর ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫.০৬ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৪৮.০৪ শতাংশ, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৪৪.৯২ শতাংশ, বরিশাল বিভাগে ৪৪.৮৪ শতাংশ, সিলেট বিভাগে ৫০.৯০ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৪। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪৯.৪৩ শতাংশ।
চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ জুলাই। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বেশ কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া সেই পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয় এবং সবশেষে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হলো।