মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম

৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কিনছে বিমান: ২০৪০ সালের মধ্যে বহর পূর্ণাঙ্গ

জাতীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কিনছে বিমান: ২০৪০ সালের মধ্যে বহর পূর্ণাঙ্গ

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা নিয়ে জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। রোববার সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে বিদেশের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসান। তিনি বিশেষ করে এই বিশাল ক্রয়প্রক্রিয়া শুরুর আগে সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়েছে কি না, তা জানতে চান। জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, পুরো পরিকল্পনাটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং সব উড়োজাহাজ দেশে আসতে ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উড়োজাহাজ কেনার অর্থায়নের জন্য সহজ শর্তের ঋণের (সফট লোন) পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই উড়োজাহাজগুলো পরিচালনা থেকে যে আয় আসবে, তা দিয়েই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে। তথ্যমতে, বোয়িং থেকে ২৫টি এবং এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ৩০ এপ্রিল বোয়িং থেকে ১৪টি এবং ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার সম্পূরক চুক্তি সই হয়। সর্বশেষ গত ৭ অক্টোবর এয়ারবাসের সঙ্গে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদ দ্রুত পূরণ, সিভিল এভিয়েশনের আট মাসের কার্যক্রম ও কেনাকাটার অগ্রগতি পর্যালোচনার সুপারিশ করা হয়। সেই সঙ্গে নিয়োগ, বদলি, কেনাকাটা ও বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি সাব-কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে। সংস্থার কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আকস্মিক পরিদর্শনের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরের ট্রলি সংকট নিয়ে আলোচনা হলে মন্ত্রণালয় জানায়, তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। বৈঠকে মন্ত্রী, কমিটির সদস্য, মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বিমানবন্দরে ট্রলির সংকট নিয়েও আলোচনা হয়।

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।