কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আমির হামজার বিরুদ্ধে নারীসংক্রান্ত অনৈতিক ঘটনার অডিও ও ভিডিও পাওয়ার চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ তোলেন। রাশেদ খান দাবি করেন, সংগৃহীত অডিও ও ভিডিওগুলো তিনি যাচাই-বাছাই করেছেন এবং এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে এমপি আমির হামজার একটি কথোপকথনের অংশ বিশেষ তুলে ধরেছেন রাশেদ খান। অডিওর ওই কণ্ঠস্বরকে বলতে শোনা যায়, ঘটনাটি নিয়ে অহেতুক হুলুস্থুল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। সেখানে আরও বলা হয়, বারবার মাফ চাওয়ার পরও কোনো সমাধান না হওয়ায় ওই ব্যক্তি অনুতপ্ত বোধ করছেন। নিজের কর্মকাণ্ডকে শয়তানের ধোঁকা বা নফসের প্ররোচনা হিসেবে আখ্যা দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করার কথা শোনা যায় কথোপকথনটিতে।
কথোপকথনের অপর অংশে বলা হয়, ইসলামি আদর্শে বিশ্বাসী মানুষ হিসেবে অপরাধের পর অনুতপ্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা করা উচিত। সুযোগ পেলে সাইফুল স্যারকে সাথে নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে মাফ চেয়ে নেবেন বলেও জানান ওই ব্যক্তি। রাশেদ খান তার ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অডিওটির লিংক যুক্ত করে দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী পরবর্তীতে কী ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর দাবি করা এই অডিও-ভিডিওর সত্যতা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য আমির হামজা বা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।