প্রিন্ট এর তারিখঃ ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম || প্রকাশের তারিখঃ ১১ জানুয়ারি, ২০২৪, ০৪:৪৪ এএম
কে হচ্ছেন বিসিবির সভাপতি?
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৬ আসন থেকে জয় লাভ করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন প্রায় ১১ বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির দায়িত্ব পালন করা নাজমুল হাসান পাপন।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ সভাপতি সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি। তারই অংশ হিসেবে পাপনকে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য ফোন দেয়া হয়েছে।
মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর পাপন বিসিবি সভাপতির পদ ছাড়লে কে পাবেন দায়িত্ব? এই প্রশ্নে অনেকেই হয়তো সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা কিংবা সাকিব আল হাসানের কথা ভাবছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের বিসিবির সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
যে ২৫ জন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ফোন দেয়া হয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছেন পাপন। অর্থাৎ বড় একটি দায়িত্বই বর্তাচ্ছে তার কাঁধে। মন্ত্রিত্ব পেলেও বিসিবির দায়িত্বে থাকতে বাধা নেই তার।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেউ সভাপতি প্রার্থী হতে চাইলে প্রথমেই তাকে জেলাভিত্তিক ক্লাব কিংবা আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থাগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে হয়, এরপর হতে হয় বিসিবি পরিচালক। ম্যাশ-সাকিব; বিসিবিতে দুজনের কারোরই পরিচালকের পদ নেই। ফলে সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারছেন না তারা।
তবে ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন চলছে খুলনা থেকে নির্বাচিত শেখ সোহেল, চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত আকরাম খান ও আ জ ম নাছির, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের নজিব আহমেদ, ঢাকা থেকে বোর্ড পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত নাঈমুর রহমান দুর্জয়, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এর মধ্য থেকে একজন সভাপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
এদিকে, নব্বইয়ের দশকে বিসিবি সভাপতিদের মধ্যে কয়েকজন মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে কোনো মন্ত্রী বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেননি। আ হ ম মোস্তফা কামাল বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব ছাড়ার পর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
বর্তমানে ক্রিকেটে জনসম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক ব্যাপ্তি অনেক বেশি। তাই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ক্রিকেট বোর্ডও সামলানোটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে পাপনের জন্য। দুটি বড় দায়িত্ব সামলানো কঠিন বিধায় তিনি বিসিবি সভাপতি থেকে পদত্যাগ করতে পারেন বলে ধারণা ক্রীড়াঙ্গনের।