মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৫ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম

এলপিজি আমদানি: ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধ সুবিধা

জাতীয়
Sub Editor
এলপিজি আমদানি: ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধ সুবিধা

বাংলাদেশ ব্যাংক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি সহজ করতে নতুন নীতিগত সুবিধা দিয়েছে। এখন থেকে এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে, ফলে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ এবং বিতরণে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এই বাস্তবতা বিবেচনা করে এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমদানিতে বাড়তি সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়া হলো।

সার্কুলার অনুযায়ী, এলপিজি আমদানিকারকরা চাইলে সরবরাহকারীর বাণিজ্যিক ঋণের পাশাপাশি বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতা ঋণ নিতে পারবেন। এছাড়া দেশের নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যাবে। তবে সব ক্ষেত্রে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা এবং ঋণ সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এলপিজি আমদানির পর তা বাজারে সরবরাহ করতে সময় বেশি লাগে, যার কারণে আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহে চাপ তৈরি হয়। এই চাপ কমাতে এবং জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানিতে গতি আনতেই এবার বাকিতে পরিশোধের সময়সীমা ২৭০ দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নতুন নীতির ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও এখন শিল্প কাঁচামাল আমদানির সুবিধার আওতায় আসবেন। এটি আমদানিতে আরও সুবিধা দেবে এবং দেশের এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।