মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৪৭ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪০ এএম

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ,ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাজ্য

জাতীয়
Sub Editor
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ,ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল যুক্তরাজ্য
ছবি: সংগ্রহীত

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির ফরেন,

কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) জানিয়েছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে হবে।

এফসিডিওর সর্বশেষ হালনাগাদ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের সময় দেশজুড়ে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে বড় ধরনের জনসমাগম, নিরাপত্তা বাহিনীর কড়াকড়ি এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রয়োজনীয় বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার মতো দুর্গম এলাকাগুলোকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে অতিজরুরি প্রয়োজন ছাড়া সেখানে ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, যেসব এলাকায় ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করা হয়েছে, সেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষে সহায়তা প্রদান কঠিন হতে পারে।

এফসিডিও জানায়, সরকারি ভ্রমণ নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গেলে সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের ভ্রমণ বীমা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি নারী, প্রতিবন্ধী ও একাকী ভ্রমণকারীদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের ই-মেইল অ্যালার্টের মাধ্যমে নিয়মিত পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য জানার এবং জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সন্ত্রাস ও সহিংসতার ঝুঁকি

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে এফসিডিও সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা রয়েছে এবং তারা যে কোনো সময় হামলার চেষ্টা চালাতে পারে। বিশেষ করে রেস্তোরাঁ, গণপরিবহন, ভিড়পূর্ণ স্থান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ইসলামবিরোধী হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিরা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এ অবস্থায় বড় ধরনের জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে এফসিডিও জানিয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।