|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

ভোট ঘিরে ৩ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২১ এএম
১০ পঠিত
00:00
00:00
ভোট ঘিরে ৩ দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগ্রহীত

রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে তিন দিনের জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মঙ্গলবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনকে সামনে রেখে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।

এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

যেসব ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন—যেমন অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহনকারী যান এবং সংবাদপত্র বহনকারী যান চলাচল করতে পারবে।

এছাড়া আত্মীয়স্বজনকে আনা-নেওয়ার জন্য বিমানবন্দরগামী যানবাহন (টিকিট বা প্রমাণপত্র দেখাতে হবে), দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং তার নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি থাকলে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও যানবাহন চলাচলের সুযোগ পাবে।

নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।

জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করার ক্ষমতা থাকবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে।

স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করতে পারবেন।

নৌযান চলাচলেও বিধিনিষেধ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ২৪ ঘণ্টার জন্য নৌযান চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত নৌযান (নির্দিষ্ট রুটে চলাচলকারী ব্যতীত) চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য।

এছাড়া নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিযোগাযোগসহ জরুরি সেবায় ব্যবহৃত নৌযানের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

প্রধান নৌপথে বন্দর কার্যক্রম, জরুরি পণ্য পরিবহন, ভোটারদের একমাত্র যাতায়াত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত নৌযান এবং দূরপাল্লার নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রেও এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে না।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →