|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

সামিট টার্মিনাল চালুর পর গ্যাস সরবরাহ ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৭ এএম
১৩ পঠিত
00:00
00:00
সামিট টার্মিনাল চালুর পর গ্যাস সরবরাহ ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট
ছবি: সংগৃহীত

নতুন এলএনজি কার্গো ভেড়ানোর পর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দিয়ে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার ভোর ৪টা পর্যন্ত মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে মোট ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল।

এর মধ্যে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে বলে আরপিজিসিএলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার বিকেল ৩টার পর সামিট টার্মিনালে নতুন একটি এলএনজি কার্গো খালাস করা সম্ভব না হওয়ায় সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ‘আল হামরা’ নামের এলএনজিবাহী জাহাজটির টার্মিনালে প্রবেশ ও খালাসের উপযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে আপত্তি থাকায় কার্গোটি ভেড়ানো হয়নি।

 

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের দৈনিক রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট, আর সামিটের টার্মিনালের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে বর্তমানে দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে সক্ষমতার তুলনায় কম গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সামিট এলএনজি টার্মিনালের মালিকানায় সামিট করপোরেশনের অংশ ৭৫ শতাংশ এবং জাপানের মিতসুবিশির অংশ ২৫ শতাংশ। টার্মিনালটিতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট ব্যবহার করা হয়। ২০১৯ সালে চালুর পর ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে ২৫০টি জাহাজ-থেকে-জাহাজ এলএনজি স্থানান্তর হয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২১ জুলাই এক্সিলারেটের মহেশখালী টার্মিনালে আগুনের ঘটনায় বয়লার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বৈদ্যুতিক তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই সপ্তাহের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর এর একটি রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট আংশিকভাবে চালু করা হয়েছে। তবে টার্মিনালটি এখনও পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে পারেনি।

দুটি টার্মিনালের কার্যক্রমে একসঙ্গে বাধা তৈরি হওয়ায় গত কয়েক দিনে দেশের গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়। এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর।

বাংলাদেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে স্বাভাবিক সময়েও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ থাকে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে ঘাটতি সামাল দিতে সরকারকে স্পট মার্কেট ও সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত এলএনজি সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে হচ্ছে। 
 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →