|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে দিল্লি যেতে পারেন তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
১২ পঠিত
00:00
00:00
আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে দিল্লি যেতে পারেন তারেক রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী- ছবি/ বিবিসি বাংলা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন। ঢাকায় সংশ্লিষ্ট একাধিক সরকারি সূত্র বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে, আগামী ২১ বা ২২ আগস্ট তার সম্ভাব্য সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী তারিখ কয়েক দিন এগিয়ে বা পিছিয়ে যেতে পারে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকেই সফরের প্রস্তাব এসেছে। বাংলাদেশও এতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য প্রথম ভারত সফরকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

তবে সফর চূড়ান্ত করার আগে ভারতের কাছ থেকে কয়েকটি বিষয়ে নিশ্চয়তা চায় ঢাকা। এর মধ্যে অন্যতম হলো ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগ, ভারত থেকে তার দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনা ও অস্থিরতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছে। তাই এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে ভারতের কাছ থেকে স্পষ্ট নিশ্চয়তা চায় বাংলাদেশ।

কর্মকর্তাদের দাবি, এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে কিছুটা আশ্বাস পাওয়া গেছে। তবে সফর নিশ্চিত করার আগে আরও স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ নিশ্চয়তা চায় ঢাকা।

সম্প্রতি দিল্লিতে আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। একই অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের কাছে প্রতিবাদ জানায়।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তখন বলেছিল, মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় তারা গভীরভাবে হতাশ। ঢাকার পক্ষ থেকে আগে থেকেই এ ধরনের আয়োজনের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে ভারতকে জানানো হয়েছিল বলেও জানানো হয়।

এদিকে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে সফরের বিরোধিতা করছেন।

এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এর আগে বলেছিলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন কাঠামো নির্ধারণের বিষয়গুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারেক রহমানের দিল্লি সফর হওয়া উচিত নয়।

এদিকে, সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনেও তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সেখানে তিনি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →