|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন তামাক আটক

মুখপত্র অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
৫৭ পঠিত
00:00
00:00
চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন তামাক আটক

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান জব্দ করা হয়েছে। পণ্যের পরিমাণে অসঙ্গতি এবং বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এই ব্যবস্থা নিয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর পাকিস্তান থেকে ছেড়ে আসা চালানটি ১৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। বন্দরে পৌঁছানোর পর এর বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া হলেও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই গোয়েন্দা নজরদারিতে তা আটকে যায়। ১০ দিন আগে এসব পণ্য পাকিস্তান থেকে বন্দরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর আগ্রাবাদে সিজিও ভবন-২ এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, বন্ড লাইসেন্স সুবিধার অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এই তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন সম্ভব, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

এর আগে, গত ২৮ অক্টোবর কাস্টমস এক্সাইজের ২৮ সদস্যের একটি দল ‘গ্লোবাল লিফ ট্যোবাকো লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে। অভিযানে প্রতিষ্ঠানের মজুদ পণ্য ও নথিপত্রের সাথে বাস্তবে প্রাপ্ত পণ্যের বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৬৯ কেজি কাঁচা তামাকের ঘাটতি রয়েছে, অথচ সেমি-প্রক্রিয়াজাত তামাক ১৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৭২ কেজি বেশি মজুদ আছে। এই গরমিলের ঘটনায় তিন কোটি ২৯ লাখ নয় হাজার টাকা মূসক আদায়যোগ্য বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, কাস্টমস এক্সাইজের ২৮ সদস্যের একটি দল গত ২৮ অক্টোবর ওই প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। এই দুটিতেই আদায়যোগ্য মূসকের পরিমাণ তিন কোটি ২৯ লাখ ৯ হাজার টাকা।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈধ দলিলাদি ছাড়া পণ্য অপসারণ ও হিসাবের চেয়ে বেশি পণ্য মজুদের প্রমাণ মিলেছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমদানিকৃত এই পণ্যের কোনো কোনো ক্ষেত্রে নথিপত্রের সঙ্গে বাস্তব মজুদের মিল না থাকায় আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের এই ঘটনাটি বর্তমানে গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →