|
|
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

টাঙ্গাইলে শিশু সন্তানকে হত্যার দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মুখপত্র অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
১৪ পঠিত
00:00
00:00
টাঙ্গাইলে শিশু সন্তানকে হত্যার দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলে ১০ বছর বয়সী শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে সাবরিনা নাহার সিনথী (২৪) নামে এক গৃহবধূকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিত সিনথী রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের মেয়ে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালে কালিহাতীর এলেঙ্গার লিজার সঙ্গে বিয়ে হয় টাঙ্গাইলের পশ্চিম কাগমারা গ্রামের সরোয়ার হোসেনের ছেলে ইমনের। তাদের সংসারে সাইফ আহমেদ নামের এক পুত্রসন্তান ছিল। পরবর্তীকালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর ২০১৮ সালে ইমন প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সিনথীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। শিশু সাইফ তখন তার দাদার কাছে থাকত।

২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি দুপুরে ইমন তার ছেলে সাইফকে ওই ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। পরদিন ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইমন বাইরে থাকার সুযোগে সৎমা সিনথী পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তিনি ওড়না দিয়ে সাইফের হাত-পা ও নাক-মুখ শক্ত করে বেঁধে শ্বাসরোধ করেন। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে পানিভর্তি বালতিতে শিশুটির মাথা ডুবিয়ে রাখেন। ঘটনার পরদিন ১৯ জানুয়ারি শিশুর দাদা সরোয়ার হোসেন টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে সিনথীকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৪ জুন পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। মামলাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম রিপন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শেফালী আক্তার। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতকে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →