|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সচিব কারাগারে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
৮ পঠিত
00:00
00:00
মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সচিব কারাগারে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেন-ছবি: সংগ্রহীত

আপন চাচাকে বাবা পরিচয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আসামির জামিন বাতিল করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি জানান, আদালতের দেওয়া জামিনের শর্ত একাধিকবার লঙ্ঘন করায় কামাল হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন কামাল হোসেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তদন্তে সহযোগিতা ও ডিএনএ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়। তবে তিনি দুই দফায় শর্ত মানতে ব্যর্থ হওয়ায় দুদকের পক্ষ থেকে জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, মো. কামাল হোসেনের প্রকৃত পিতা মো. আবুল কাশেম এবং মাতা মোছা. হাবীয়া খাতুন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুযোগ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি নিজের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে বাবা-মা হিসেবে উপস্থাপন করেন।

এই ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি লাভ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সময় তিনি তার প্রকৃত বাবার নাম ব্যবহার করেন। তবে নবম শ্রেণিতে একই বিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রেশনের সময় কৌশলে চাচা-চাচিকে পিতা-মাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →