দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নতুন স্থাপনা, রাডার ঘাঁটি নির্মাণের আশঙ্কা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত পারাসেল দ্বীপপুঞ্জের একটি ছোট দ্বীপে নতুন স্থাপনা দেখা গেছে। রয়টার্সের পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট ছবিতে এসব স্থাপনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, এগুলো চীনের সম্ভাব্য সামরিক রাডার বা আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা তৈরির অংশ হতে পারে।
স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভ্যান্টরের তথ্যমতে, ইয়াগং দ্বীপে মার্চ ও এপ্রিল থেকে নির্মাণকাজ শুরু হয়। সর্বশেষ ছবি তোলা হয়েছে ১৭ আগস্ট। সেখানে তিন শাখাবিশিষ্ট একটি নির্মাণকাজ দেখা গেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্থাপনাগুলোর প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত নয়। তবে দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যান্য এলাকায় থাকা চীনা সামরিক রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে এগুলোর কিছুটা মিল রয়েছে। ফলে কাছের অ্যান্টিলোপ রিফে চীনের সামরিক অবকাঠামোর সঙ্গে এগুলোর যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে রয়টার্স জানিয়েছিল, অ্যান্টিলোপ রিফে চীন নির্মাণকাজের প্রথম ধাপ শেষ করেছে। সেখানে প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করা হয়েছে। এর ৩ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ সোজা উপকূলকে সম্ভাব্য রানওয়ে হিসেবে দেখছেন কিছু বিশ্লেষক।
অ্যান্টিলোপ রিফ থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ইয়াগং দ্বীপের অবস্থান। দুটিই পারাসেল দ্বীপপুঞ্জের ক্রিসেন্ট গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।
চীন নতুন কোনো সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের কথা স্বীকার করেনি। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, অ্যান্টিলোপ রিফে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, মৎস্য সুরক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার মতো বেসামরিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এসব স্থাপনা দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তরাংশে চীনের সামরিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতে পারে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা গবেষক কলিন কোহের ধারণা, এটি একটি পর্যবেক্ষণকেন্দ্র হতে পারে, তবে সম্ভাব্যতার দিক থেকে রাডার স্টেশন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
আরও পড়ুন
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন