|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

জীবন দুর্বিষহ ও অসম্ভব’: রাশিয়ার হামলায় কিয়েভে খাদ্যসংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
১৭ পঠিত
00:00
00:00
জীবন দুর্বিষহ ও অসম্ভব’: রাশিয়ার হামলায় কিয়েভে খাদ্যসংকট
কিয়েভের উপকণ্ঠ ব্রোভারিতে রুশ ড্রোন হামলার পর একটি গুদামে আগুন নেভানোর কাজ করছেন দমকল কর্মীরা।ছবি: দ্য গার্ডিয়ান

রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কিয়েভের কয়েকটি সুপারমার্কেটের তাক ফাঁকা হয়ে পড়েছে এবং সামনে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কিয়েভের একটি সুপারমার্কেটে ৬৮ বছর বয়সী ভ্যালেন্তিনা সভেশনিকোভা প্রয়োজনীয় খাবার কিনছিলেন। স্বল্প পেনশনের ওপর নির্ভরশীল এই নারী জানান, ইতোমধ্যে সসেজসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। নতুন করে দাম বাড়লে সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি রুশ বাহিনীর হামলায় কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলের খাদ্যগুদাম ও সরবরাহ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে আগস্টের শেষ দিক থেকে রাজধানী কিয়েভে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বেড়েছে।

ইউক্রেনের কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী তারাস ভিসোৎস্কি জানিয়েছেন, গুদাম ও খাদ্য সরবরাহ অবকাঠামোর ওপর হামলার কারণে খাদ্যপণ্যের দাম প্রায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে বেসরকারি খাতের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

কিয়েভের কাছে একটি প্রতিষ্ঠানের গুদামে ১ সেপ্টেম্বর রুশ হামলায় প্রায় ৪০ লাখ ইউরোর পণ্য নষ্ট হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, হামলার কারণে শুধু মজুত পণ্য নয়, পুরো সরবরাহব্যবস্থাই নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

নিরাপত্তা বাড়াতে গুদামগুলো ছোট ছোট স্থানে ভাগ করা, ভূগর্ভস্থ সংরক্ষণ ব্যবস্থা ব্যবহার কিংবা প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডে কিছু গুদাম সরিয়ে নেওয়ার মতো পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে হামলার কারণে ইউক্রেনের একটি ওষুধ কোম্পানির গুদামে তিন মাসের ওষুধ নষ্ট হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। কিয়েভের উপকণ্ঠে মানবিক সহায়তা সংরক্ষণকারী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গুদামেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

তবে যুদ্ধের দীর্ঘ সময়ে অভ্যস্ত ইউক্রেনীয়দের মধ্যে আগের মতো ব্যাপকভাবে খাদ্য মজুত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। অনেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন। কিয়েভের এক বাসিন্দা বলেন, যুদ্ধ নতুন নয়; সংকট এলেও তারা টিকে থাকার চেষ্টা করবেন। 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →