|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

চীনে বন্দরে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে আগুন, নিহত ২৫

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
৮ পঠিত
00:00
00:00
চীনে বন্দরে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে আগুন, নিহত ২৫
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং জাহাজে আটকে পড়াদের উদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন। ছবি/ বিবিসি

চীনের পূর্বাঞ্চলের একটি বন্দরে নোঙর করে থাকা বিদেশি পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজে আগুন লেগে ২৫ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

জাহাজটিতে মোট ৪২ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিট) কিংদাও শহরের একটি জাহাজ মেরামত কারখানায় রক্ষণাবেক্ষণের সময় আগুনের সূত্রপাত হয়। তিন ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত ছবিতে জাহাজটিকে ‘ওশান মেলোডি’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৯০ মিটার (৬২৩ ফুট)। জাহাজটি ৩১ আগস্ট কিংদাও বন্দরে পৌঁছেছিল বলে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট মেরিনট্রাফিক জানিয়েছে।

আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জাহাজ থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন বলে এএফপিকে জানিয়েছেন। তবে কোনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনেননি তারা।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জাহাজে আটকে পড়াদের উদ্ধারে সর্বাত্মক অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ‘দ্বিতীয় পর্যায়ের দুর্যোগ’ ঠেকানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র কিংদাও বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরগুলোর একটি। প্রায় এক মাস আগে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশে একটি জাহাজ নির্মাণ কারখানায় বিস্ফোরণে একজন উদ্ধারকর্মী নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছিলেন। 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →