ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির ঘটনায় ৫ ব্রিটিশ নাগরিক আটক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানে হামলায় মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করে এমন ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি RAF Fairford-এর কাছে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত সন্দেহে আটক পাঁচ ব্যক্তিকে জামিনে ছেড়ে দিয়েছে ব্রিটিশ পুলিশ। তবে ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার পাঁচজনকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার কথা জানিয়ে পুলিশ বলেছে, তারা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক সবাই ব্রিটিশ নাগরিক এবং তাদের বয়স ২০-এর কোঠায়। তারা লন্ডনের বাসিন্দা।
রোববার ভোরে স্থানীয় এক কৃষকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। ওই কৃষক বিমানঘাঁটির কাছে তিনটি বড় সাদা ভ্যান দেখতে পান এবং মুখ ঢাকা কয়েকজনকে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে দেখেন। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো ‘বিদেশি পক্ষের’ সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ঘটনাটির সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য যোগসূত্রের কথা বলেছেন। তবে ইরান এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঘটনার পর RAF Fairford ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালেও বিমানঘাঁটির আশপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী ও সড়ক অবরোধ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকটি বাড়ি সাময়িকভাবে খালি করা হলেও পরে তাদের ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়।
পুলিশের তদন্তে আটক ব্যক্তিদের ব্যবহৃত তিনটি ভ্যানে কার্যকর বিস্ফোরক পাওয়া গেছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা হচ্ছে। একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ভ্যানগুলোতে কার্যকর বিস্ফোরক ছিল না।
RAF Fairford পশ্চিম ইংল্যান্ডের গ্লুচেস্টারশায়ারে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই ঘাঁটি ব্যবহার করে আসছে। ফলে ঘটনাটির পর ঘাঁটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন