|
|
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

ইয়েমেন সংঘাত নিরসনে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চায় হুথিরা

মুখপত্র অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:০০ এএম
২২ পঠিত
00:00
00:00
ইয়েমেন সংঘাত নিরসনে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চায় হুথিরা

ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের অবসানের লক্ষ্যে সৌদি আরবের সাথে চলমান আলোচনায় ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী।

গত বৃহস্পতিবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বছরব্যাপী বিমান হামলা এবং কঠোর অবরোধের প্রেক্ষিতে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে চেয়েছে তারা। একই সাথে হুথিরা নিজেদের জন্য আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবিও জানিয়েছে, যা সৌদি আরবের জন্য একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছায়নি উভয় পক্ষ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা বৃদ্ধি এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটবর্তী কৌশলগত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ আলোচনার উদ্যোগ নেয়। তবে হুথিদের সরাসরি শাসক হিসেবে স্বীকৃতি দিলে সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনের বর্তমান সরকারের অবস্থান দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, হুথিরা ইয়েমেনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্দর নগরী এডেনের কাছাকাছি নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের সংঘাত বন্ধে সম্ভাব্য সমাধান খুঁজতে হুথিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সৌদি আরব। কারণ, হুথিদের ইয়েমেনের শাসক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে কার্যত এমন একটি গোষ্ঠীকে বৈধতা দেওয়া হবে, যাদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে সামরিক অভিযান চালিয়েছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সামরিক দৃঢ়তা নিশ্চিত না করে কোনো পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে যেতে অনাগ্রহী বলে জানা গেছে। তবে ইয়েমেনে সরাসরি সেনা পাঠালে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি এবং অভ্যন্তরীণ সমালোচনার মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েই গেছে। এছাড়া আঞ্চলিক মিত্র দেশগুলোর সমর্থনও রিয়াদের অনুকূলে নেই। সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যেই হুথিবিরোধী অভিযান থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে। পাকিস্তানও সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এই দ্বন্দ্বে সরাসরি সামরিকভাবে জড়াতে আগ্রহী নয়। এ ছাড়া আঞ্চলিক মিত্রদের কাছ থেকেও সৌদি আরব প্রত্যাশিত সমর্থন পাচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুথিদের সাথে ইরানের সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোয়েন্দা ও সামরিক কৌশলগত সহায়তার মাধ্যমে ইরান হুথিদের হামলা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, সৌদি আরবের অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান এবং ইয়েমেনের সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা মিটিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসা দুই পক্ষের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি ভূখণ্ড ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার কারণে রিয়াদের ওপর চাপ বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →