|
|
বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

ইরানে বিক্ষোভে জড়িত অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ এএম
৬ পঠিত
00:00
00:00
ইরানে বিক্ষোভে জড়িত অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথে এগোচ্ছে দেশটির সরকার। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ২৬ বছর বয়সী যুবক এরফান সুলতানির ফাঁসি কার্যকর হতে পারে।

ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে কারাজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালে এরফান সুলতানিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে ‘খোদার বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ বা ‘মোহারেবেহ’ অভিযোগ আনা হয়। পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিচার চলাকালে তাকে আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়নি।

মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’ এই ঘটনাকে আশির দশকে ইরানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে তুলনা করে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। সংস্থাটির পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোগাদ্দাম বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গণ-মৃত্যুদণ্ড ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা ভয়াবহ মাত্রা ধারণ করেছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘রেসপন্সিবিলিটি টু প্রটেক্ট’ নীতির আলোকে ইরানের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি ইন ইরান নামের আরেকটি সংগঠন বিশ্বব্যাপী সমর্থন চেয়ে বলেছে, এরফান সুলতানির একমাত্র অপরাধ ছিল স্বাধীনতার পক্ষে আওয়াজ তোলা।

এদিকে ইরানে চলমান দমন-পীড়নের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইতিহাসের সবচেয়ে বড় স্বাধীনতার সুযোগের মুখে দাঁড়িয়ে আছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তায় প্রস্তুত।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন ট্রাম্প। যদিও কূটনৈতিক সমাধানই অগ্রাধিকার, তবে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগেও পিছপা হবেন না বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট।

তবে এই অবস্থানের সমালোচনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের একাধিক সদস্য। রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল বলেন, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা আন্দোলনে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়। তার আশঙ্কা, ইরানে হামলা হলে সাধারণ জনগণ বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের পক্ষেই একত্রিত হতে পারে। পাশাপাশি তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর আগে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তেহরান পূর্ণমাত্রার প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত থাকবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →