|
|
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

১১ দলে যোগ দেওয়ায় ক্ষমা চাইলেন মজিবুর মঞ্জু

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
৭ পঠিত
00:00
00:00
১১ দলে যোগ দেওয়ায় ক্ষমা চাইলেন মজিবুর মঞ্জু
ছবি: সংগৃহীত

আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে যোগ দেওয়াকে ব্যর্থতা হিসেবে স্বীকার করে নাগরিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে না পারার দায় নিজের কাঁধেই নেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিটিজেনস প্ল্যাটফর্মের আয়োজিত জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা শীর্ষক অনুষ্ঠানে মঞ্জু বলেন, “নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মধ্যেই আমাদের ঢুকতে হয়েছে। এ জন্য নাগরিকদের নয়, নিজেদের দায়ী করছি। ক্ষমা চাই।”

তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনী রাজনীতির বাস্তবতা ছোট দলগুলোর জন্য কঠিন। ভোট প্রক্রিয়ায় নতুন দলের সতীত্ব ও অস্তিত্ব প্রায়ই বিপর্যস্ত হয়। আমরা চেষ্টা করেছি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিয়ে দাঁড়াতে, তবে সফল হইনি।

জোটে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে মঞ্জু বলেন, “ছোট দলগুলো বড় জোট ছাড়া টিকে থাকতে পারে না। এই সিদ্ধান্তে অনেকে কষ্ট পেয়েছেন। দায় ভাগ করলে ৬০ শতাংশ দায় আমরা নিজেরাই নিচ্ছি। সাধারণ মানুষকে দায়ী করব না।”

ক্ষমা গ্রহণের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে উপস্থিতরা সমস্বরে ‘না’ বলেন। মঞ্জু বলেন, “যখন কেউ ক্ষমা চায়, তখন তা দেওয়া উচিত। ক্ষমা না করা এখন নেতিবাচক সংস্কৃতিতে পরিণত হচ্ছে।”

নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তুলতে ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট দেওয়া, ভোট পাহারা রাখা এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা এককভাবে চালানো সম্ভব হয়নি। এছাড়া নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমান, বিদ্রূপ ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার উদাহরণ টেনে মঞ্জু বলেন, “সবার কাছে তেমন সুযোগ নেই। তার আলাদা পটভূমি ও শক্তিশালী মিডিয়া সমর্থন থাকা সত্ত্বেও ১ শতাংশ সমর্থন পায়নি। সুবিধাহীনরা একা দাঁড়াতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, নতুন রাজনীতিকে সমর্থন করতে চাওয়া সত্ত্বেও অর্থ, সংগঠন ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অনেকেই পাশে দাঁড়ায় না। আর্থিক সক্ষমতাই নতুন দলগুলোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গত ডিসেম্বরে আমার বাংলাদেশ পার্টি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হয়। এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি জোটে যোগ দেয়। মঞ্জু আসন্ন নির্বাচনে ফেনী-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং ইতোমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছেন।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →