|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

১৮ মাসের আলোচনায় রুশ ঘাঁটি নিয়ে সিরিয়া-রাশিয়ার সমঝোতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
৭ পঠিত
00:00
00:00
১৮ মাসের আলোচনায় রুশ ঘাঁটি নিয়ে সিরিয়া-রাশিয়ার সমঝোতা
রাশিয়ার মস্কোয় ক্রেমলিনে বৈঠকের সময় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে করমর্দন করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স

রাশিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। সিরিয়ায় থাকা রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলোর ভবিষ্যৎ এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার মস্কোয় পৌঁছান আহমেদ আল-শারা। চার মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি রাশিয়ায় তার দ্বিতীয় সফর। এর আগে গত অক্টোবরেও তিনি মস্কো সফর করেছিলেন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সিরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনা করে বিদ্রোহী বাহিনী। ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন আহমেদ আল-শারা। দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল রাশিয়া।

তবে বিদ্রোহীদের ওই অভিযানের সময় রাশিয়া তা প্রতিহত করার জন্য বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি। বরং আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর রাশিয়া তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের আশ্রয় দেয়।

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় দামেস্ক ও মস্কো বিপরীত অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার পুনর্গঠনে রাশিয়ার সহযোগিতা পাওয়া এবং দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে বৈচিত্র্য আনার লক্ষ্যেই দামেস্ক মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চাইছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে থাকা রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো মস্কোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তারতুস নৌঘাঁটি ও হামেইমিম বিমানঘাঁটি রাশিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সোভিয়েত ইউনিয়নের সাবেক ভূখণ্ডের বাইরে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয় এই দুটি ঘাঁটি। তাই এগুলোতে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে সিরিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় মস্কো।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বৈঠকের আগে জানান, সিরিয়ায় রুশ সামরিক উপস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত সব বিষয় নিয়ে আলোচনায় কথা হবে।

এদিকে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কয়েকটি অবস্থান থেকে রুশ বাহিনী প্রত্যাহার শুরু করেছে। ওই অঞ্চল এখনো কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারি বাহিনীর সামরিক অভিযানে এসডিএফ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বেশিরভাগ এলাকা হারানোর পর রুশ সেনাদের এই প্রত্যাহার শুরু হয়।

সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে মস্কো ও দামেস্কের আলোচনাকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →