|
|
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

সৌদিতে হুথিদের হামলা, ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১১ এএম
১৩ পঠিত
00:00
00:00
সৌদিতে হুথিদের হামলা, ইরানের ৫ তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস যুক্তরাষ্ট্রের
সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তের আল-ওয়াদিয়াহ ক্রসিংয়ে হুথিদের হামলায় পুড়ছে একটি ট্রাক। ছবি: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পাঁচটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের কথা জানিয়েছে।

পাল্টা হিসেবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।

হুথিদের হামলায় সৌদি আরবের চারটি শহরে ৭৩ জন আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। হামলার পর কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুনও ছড়িয়ে পড়ে।

হুথিরা জানায়, তারা সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় খামিস মুশাইত শহরের একটি বিমানঘাঁটি এবং আবহা, নাজরান ও জাজান শহরের সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। নাসার স্যাটেলাইট ছবিতেও জাজান রিফাইনারি ও আবহায় তেল বিতরণকেন্দ্রের আশপাশে ধোঁয়া দেখা গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা মঙ্গলবার ইরানের পাঁচটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এসব জাহাজ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের অর্থায়নে ব্যবহৃত একটি গোপন নেটওয়ার্কের অংশ ছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান মার্কিন নৌযান লক্ষ্য করে হামলা চালালে এর জবাবে ইরানের তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এরপর ইরানের আইআরজিসি জানায়, তারা জর্ডানের আল-আজরাক এলাকার কাছে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে জর্ডানের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি ভূপাতিত করেছে। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে এবং এতে কেউ হতাহত হয়নি।

ইরান আরও দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে হামলার দাবি করেছে। পাশাপাশি কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করার হুমকিও দিয়েছে তেহরান।

নতুন করে সংঘাত বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি আরও প্রায় এক ডলার বেড়েছে এবং ২৩ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তেলের দাম এখনো ১০০ ডলার ছাড়ায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে আরও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির বাইরে নতুন করে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →