|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, কেসি কলেজে রাজনীতি বন্ধ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:১০ এএম
১০২ পঠিত
00:00
00:00
ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, কেসি কলেজে রাজনীতি বন্ধ
ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনার পর ঝিনাইদহ কেসি কলেজে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার পর ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশসহ সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বুধবার কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সভা-সমাবেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।

কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ওই দিন দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে ঝিনাইদহ শহরে পৃথকভাবে মিছিল করে দুই সংগঠন।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে কেসি কলেজ ক্যাম্পাসে ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার কথা ছিল।

কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহরিয়ার মো. মাহবুব ইসলাম জানান, কয়েক দিন ধরে তাদের উদ্যোগে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল এবং অতিথিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে ৫ অক্টোবরের ঘটনার পর কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। অনুষ্ঠানটি কলেজে হবে কি না, সে বিষয়ে তারা এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

অন্যদিকে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে শিবিরের এক কর্মী ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত। পোস্টটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য শিবিরের নেতাদের বলা হলে এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসরুর উল আলমের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →