ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭:০৮, ১৩ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৭:১০, ১৩ জুলাই ২০২৬
টানাবর্ষণ ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থলবন্দর এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা কালন্দি খাল ও জাজি নদী দিয়ে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানি হু হু করে বাংলাদেশে ঢুকছে। এতে করে উপজেলার সীমান্তঘেঁষা বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় আছেন বাসিন্দারা।
আকস্মিক এ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে নানা ধরনের প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর থেকে ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়তে থাকে। তবে আর যদি ভারী বৃষ্টিপাত না হয় তাহলে খুব দ্রুতই পাহাড়ি ঢলের পানি সরে যাবে।
.
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ওপারের পাহাড়ি ঢলের পানিতে আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি ইউনিয়নের মোগড়া, মনিয়ন্দ ও দক্ষিণ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কার্যালয় ও কাস্টমস হাউস এলাকা। তবে তাদের দাফতরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে আখাউড়া-আগরতলা বন্দর সড়কে ঢলের পানি না উঠায় এখনো বন্দরগামী যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। আখাউড়া স্থলবন্দর এলাকায় সিএন্ডএফ এজেন্ট ও আমদানি আমদানি- রপ্তানিকারক বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ঢলের পানিতে তলিয়ে গেলেও আমদানি - রফতানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দর এলাকার খাবার হোটেল ও সীমান্তবর্তী বাড়ি-ঘরে আকস্মিক বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আখাউড়া উপজেলার হাওড়া নদীর বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে ভুগছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। বন্যা দুর্গতদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে
ব্রেকিং