নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩:২৩, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৫:৪২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শ্যামল দত্তসহ কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।-ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, বার্তা প্রধান শাকিল আহমেদ ও প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের আহ্বায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের বিনা বিচারে আটকে রাখা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা। দুই বছরের বেশি সময় ধরে তাদের আটকে রেখে যেসব ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা নেই, সেসব ঘটনার মামলায়ও যুক্ত করে হয়রানি করা হচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল বাবুকে এবং একই বছরের ২১ আগস্ট শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিক শেখ জামাল, মঞ্জুরুল আলম পান্না, আনিস আলমগীর, শেখ ইমন আহমেদসহ সারাদেশে অর্ধশতাধিক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে অনেকে এখনো কারাগারে আছেন।
জাতীয় দৈনিক, টিভি চ্যানেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকসহ সারাদেশে ৪৪৬ জন সাংবাদিকের নামে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, যা এখনো বহাল আছে।
এছাড়াও পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিক সুমন্ত চক্রবর্তী, মেহেদী মামুন, আব্দুর রহমান, প্রবীর দাস, শ্যামল নন্দী, মেহেরুল সুজনসহ ১১৮ জন সাংবাদিক শারীরিক হেনস্থা ও হামলার শিকার হয়েছেন।
সাংবাদিক মেহেদী হাসান, শাকিল হোসেন, তাহির জামান, এটিএম তুরাব, প্রদীপ কুমার ভৌমিক, সোহেল আখঞ্জিসহ ১৩ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকরা দেশের অপরাধ তুলে ধরার পাশাপাশি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা মানবাধিকার লঙ্ঘন।
দেশের সকল সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।
ব্রেকিং