নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:৪৮, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি: সংগ্রহীত
গলায় সুগন্ধি ব্যবহার যতটা প্রিয়, ততটাই ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ গলার ঠিক নিচে অবস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের বিপাক, শক্তি, তাপমাত্রা ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া গলা লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান ফিল্টার করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
গলায় পারফিউম স্প্রে করলে নিঃশব্দে হরমোনের কার্যকারিতা বিঘ্নিত হতে পারে। বেশিরভাগ সিন্থেটিক পারফিউমে থাকে ফথালেটস, যা স্বাভাবিক হরমোনের কাজ অনুকরণ বা বাধা দিতে সক্ষম। সংবেদনশীল এই স্থানে নিয়মিত ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে থাইরয়েডের কার্যকারিতা ও হরমোনের ভারসাম্য ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে প্রজনন ক্ষমতা, শক্তির মাত্রা, মুড সুইং, ক্লান্তি ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গলার ত্বক পাতলা হওয়ায় রাসায়নিক দ্রুত শোষিত হয়। দীর্ঘমেয়াদে ঘন ঘন ব্যবহার র্যাশ, লালচে ভাব, কালচে দাগ বা অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ কিছু উপাদান যেমন বার্গামট সূর্যালোকের সংস্পর্শে ত্বককে সংবেদনশীল করে, যা পিগমেন্টেশন ও কালো দাগ সৃষ্টি করতে পারে।
হরমোন ও ত্বকের ক্ষতি এড়াতে প্রাকৃতিক সুগন্ধি ব্যবহার করা উত্তম। এসেনশিয়াল অয়েলের ব্লেন্ড বা অ্যালকোহল-ফ্রি রোল-অন ব্যবহার করলে সুগন্ধি থাকবে, অথচ থাইরয়েড, হরমোন ও ত্বকের স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হবে না।
ব্রেকিং