নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:১২, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি: সংগ্রহীত
ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই ঘোষণার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—পাকিস্তানও কি একই পথে হাঁটবে?
গত কয়েক দিন ধরেই পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে খবর ঘুরছিল, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলে পাকিস্তানও নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে। এবার প্রকাশ্যে আসর বর্জনের আহ্বান জানালেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বড় অঙ্কের আয় হয়। এ কারণেই এবারের বিশ্বকাপে দুই দলকে একই গ্রুপে রাখা হয়েছে। হাইব্রিড মডেলের আওতায় তাদের পারস্পরিক ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে লতিফের মতে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে না খেলে, তাহলে টুর্নামেন্টের বড় একটি অংশই গুরুত্ব হারাবে।
‘কট বিহাইন্ড’ নামের একটি ইউটিউব অনুষ্ঠানে রশিদ লতিফ বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ না হলে বিশ্বকাপের প্রায় ৫০ শতাংশ আকর্ষণই শেষ হয়ে যাবে। একই সঙ্গে এটি বর্তমান ক্রিকেট ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
বাংলাদেশের নির্ধারিত ম্যাচগুলো ভারতের মাটিতে আয়োজনের কথা রয়েছে। তবে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বিসিবি বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তাদের দাবি, ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হোক। যদিও বুধবার আইসিসির ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেওয়া সদস্যদের ভোটে বাংলাদেশকে ভারতে খেলতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত না মানলে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানানো হয়।
আইসিসি আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিসিবিকে সময় দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়েও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি বিসিবি।
রশিদ লতিফ মনে করেন, বাংলাদেশের অবস্থান যৌক্তিক। তার ভাষায়, ‘ট্রাম্প কার্ড এখন পাকিস্তানের হাতেই। এর চেয়ে ভালো সুযোগ পাকিস্তান আর পাবে না। পাকিস্তান যদি না খেলে, সেটি কার্যত বিশ্বকাপ থামিয়ে দেওয়ার মতো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তান ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এবং আইসিসি ইভেন্ট বর্জন করলে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও আছে। তবে শুধু কথা বললে চলবে না, এখনই দেখানোর সময়—পাকিস্তান কাকে সমর্থন করে।
ব্রেকিং