নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১:০৬, ২ জানুয়ারি ২০২৬
পৃথিবীতে মানুষের জীবন আসলে কিছু দিনের সমষ্টি মাত্র। একটি দিন চলে যাওয়ার অর্থ জীবনের একটি অংশ নিঃশেষ হয়ে যাওয়া। অসংখ্য হাদিসে সময়কে মূল্য দেওয়ার এবং জীবনের গুরুত্ব প্রদানের তাগিদ রয়েছে। এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেন, ‘পাঁচটি বিষয়কে পাঁচটি বিষয়ের আগমনের আগে গনিমত মনে করো- বার্ধক্যের আগে যৌবনকে, অসুস্থতার আগে সুস্থতাকে, দরিদ্রতার আগে সচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার আগে অবসরকে এবং মৃত্যুর আগে জীবনকে’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ৩৫৪৬০)। আসলে মানুষ সফল ও সার্থক একটি জীবন প্রত্যাশা করে। আর আল্লাহ জীবনের সুখ, সফলতা ও সার্থকতা সব রেখেছেন একমাত্র তাঁর আনুগত্য ও উপাসনার মধ্যে। পার্থিব জীবনের প্রতিটি সময় যদি রবের সন্তুষ্টিতে ব্যয় করা যায়, তা হলে জীবনের কোনো চাওয়া অপূর্ণ থাকতে পারে না। কারণ তিনি মহান রাব্বুল আলামিন, সব সৃষ্টির পালনকর্তা।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানদের সম্মানিত করেছি, স্থলে ও সামুদ্রিক ভাগে তাদের বাহন দান করেছি এবং উত্তম রিজিক দিয়েছি। আর আমার সৃষ্টির মধ্যে অনেকের ওপর তাদের মর্যাদা দান করেছি’ (সুরা বনি ইসরাইল : ৭০)। আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির সেরা মানবজাতির সম্মান ও উচ্চ মর্যাদার কথা ঘোষণা করেছেন। মানুষকে আল্লাহ তায়ালা অগণিত নেয়ামত দান করেছেন। যেমন মানুষের আকার আকৃতি, মানুষের বাকশক্তি, বিচারবুদ্ধি, বোধশক্তি, লেখার শক্তি, ইঙ্গিতে বোঝানোর শক্তি, সৃষ্টি জগতের ওপর কর্তৃত্ব, বিভিন্ন রকম শিল্প এবং পেশা কৌশল প্রদান করেছেন।
ব্রেকিং